👋 বুনন ফেব্রিক্স-এ আপনাকে স্বাগতম! 🛍️ "বুনন ফেব্রিক্স" বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন শপ। 💰 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় (২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত ডেলিভারি)। 🏠 সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি করা হয়ে থাকে। ✨ ধন্যবাদ ২ লক্ষ+ সন্তুষ্ট কাস্টমার, আপনার ভরসার ব্র্যান্ড। 💎 পছন্দ আপনার, পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের!

Phone

09611900606


বাংলাদেশকে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতিপূরণ দেবে নাইকো

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে চার কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (৪২ মিলিয়ন) জরিমানা করা হয়েছে। টাকার অংকে তা ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) এই সালিশি রায় দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ সংক্রান্ত নাইকো মামলায় আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড (সালিশি রায়) দিয়েছেন। রায়ে কোম্পানিটিকে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাদের আইনজীবী রায়ের সিনোপসিস (সার-সংক্ষেপ) পাঠিয়েছেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি এখনও পাইনি। পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র দুর্ঘটনা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয়ের উদহারণ। ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে দুই দফায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। গ্যাস উত্তোলনের সময় কূপে চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে নষ্ট হয় এবং গ্যাসক্ষেত্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি আশপাশের গ্রাম, ফসলি জমি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

দুর্ঘটনার সময় গ্যাসক্ষেত্রটি কানাডাভিত্তিক কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেড পরিচালনা করছিল। ঘটনার পর দায় ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও নাইকোর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়, যা পরে বিশ্বব্যাংকের অধীন ইকসিডে সালিশি মামলায় গড়ায়। টেংরাটিলা দুর্ঘটনা জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ, তদারকি ঘাটতি এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে আজও বিবেচিত হয়। 

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে চার কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (৪২ মিলিয়ন) জরিমানা করা হয়েছে। টাকার অংকে তা ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) এই সালিশি রায় দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ সংক্রান্ত নাইকো মামলায় আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড (সালিশি রায়) দিয়েছেন। রায়ে কোম্পানিটিকে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাদের আইনজীবী রায়ের সিনোপসিস (সার-সংক্ষেপ) পাঠিয়েছেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি এখনও পাইনি। পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র দুর্ঘটনা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয়ের উদহারণ। ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে দুই দফায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। গ্যাস উত্তোলনের সময় কূপে চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে নষ্ট হয় এবং গ্যাসক্ষেত্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি আশপাশের গ্রাম, ফসলি জমি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

দুর্ঘটনার সময় গ্যাসক্ষেত্রটি কানাডাভিত্তিক কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেড পরিচালনা করছিল। ঘটনার পর দায় ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও নাইকোর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়, যা পরে বিশ্বব্যাংকের অধীন ইকসিডে সালিশি মামলায় গড়ায়। টেংরাটিলা দুর্ঘটনা জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ, তদারকি ঘাটতি এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে আজও বিবেচিত হয়। 

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক আদালত। ২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে চার কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার (৪২ মিলিয়ন) জরিমানা করা হয়েছে। টাকার অংকে তা ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) এই সালিশি রায় দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ সংক্রান্ত নাইকো মামলায় আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড (সালিশি রায়) দিয়েছেন। রায়ে কোম্পানিটিকে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাদের আইনজীবী রায়ের সিনোপসিস (সার-সংক্ষেপ) পাঠিয়েছেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি এখনও পাইনি। পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র দুর্ঘটনা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্প বিপর্যয়ের উদহারণ। ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে দুই দফায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। গ্যাস উত্তোলনের সময় কূপে চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পুড়ে নষ্ট হয় এবং গ্যাসক্ষেত্রের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি আশপাশের গ্রাম, ফসলি জমি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

দুর্ঘটনার সময় গ্যাসক্ষেত্রটি কানাডাভিত্তিক কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেড পরিচালনা করছিল। ঘটনার পর দায় ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও নাইকোর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়, যা পরে বিশ্বব্যাংকের অধীন ইকসিডে সালিশি মামলায় গড়ায়। টেংরাটিলা দুর্ঘটনা জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ, তদারকি ঘাটতি এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে আজও বিবেচিত হয়। 

বাংলাদেশকে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতিপূরণ দেবে নাইকো

এক ভরি সোনার অলংকার ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা, কিনছে কারা?

বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়াতে আফগান প্রতিনিধি দলের ওয়ান ফার্মার অফিস পরিদর্শন

রাজস্ব সক্ষমতা জোরদারে সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কার জরুরি

প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে বাজারভিত্তিক গবেষণা দরকার

জিডিপিতে ১৩ শতাংশ অবদান থাকলেও সরকারের ১৩ মিনিট সময় নেই

ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছ থাকলে দ্রুত পণ্য খালাসের গ্যারান্টি দিতে পারবো

বড় মূলধনের কোম্পানিতে ভর করে বাড়লো সূচক, কমেছে লেনদেন 

কৃষকদের প্রণোদনা দিতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয়: কৃষি উপদেষ্টা

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়ছে


Disclaimer: This article is auto-generated and collected from news feeds. We do not claim ownership.
তথ্যসূত্র: অনলাইন ডেস্ক।
Picture of বুনন ফেব্রিক্স

বুনন ফেব্রিক্স

Bunon Fabrics – বাংলাদেশের প্রিমিয়াম শাড়ির বিশ্বস্ত অনলাইন ব্র্যান্ড।

৫০,০০০+ সদস্য

ব্রেকিং নিউজ সরাসরি টেলিগ্রামে!

নির্ভরযোগ্য খবর বিজ্ঞাপন ছাড়াই দ্রুত পেতে জয়েন করুন।

জয়েন করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All Product
Home
Phone