১ / ১৬
একরঙা সাদা টাঙ্গাইল শাড়ির পাড়ে বেগুনি রঙের পাড়। সঙ্গে বেগুনি সুতায় কলকার নকশা ও বুটি।
মডেল: সায়রা, ছবি: সুমন ইউসুফ

পাথরাইলের দোকানে টাঙ্গাইল শাড়ি মেলে ধরেছেন দুই বিক্রেতা। ঘিয়ে রঙের শাড়িটিতে ঐতিহ্যবাহী নকশা আর গোলাপি শাড়িটিতে টেম্পল নকশা।
ছবি: সুমন ইউসুফ
তাঁতের শাড়িতে এ সময়ের তরুণীরা। গোলাপি শাড়িটিতে চিকন পাড় আর কালো রঙের শাড়িতে চওড়া পাড়। দুটি পাড়ের নকশাতেই রুপালি সুতার ব্যবহার করা হয়েছে।
মডেল: সায়রা ও নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
রাতের পাথরাইল ও চণ্ডী গ্রামের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া সড়কের পাশে টাঙ্গাইল শাড়িতে দুই মডেল।
ছবি: সুমন ইউসুফ
পরনে নরম সাদা টাঙ্গাইল শাড়ি। পেছনে সারি সারি শাড়ির সবই টাঙ্গাইলের তাঁতে তৈরি।
মডেল: সায়রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে ইউনেসকোর তালিকাভুক্ত হলো।
ছবি: সুমন ইউসুফ
স্থানীয় কারিগরদের শ্রম, রং, নকশা, কৌশল আর সৃজনশীল নৈপুণ্যের সমন্বয়ে প্রতীয়মান হয় এর শিল্পরূপ।
মডেল: নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
পরম্পরাগত এই বয়নশিল্পকে বাংলাদেশের বস্ত্রসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ছবি: সুমন ইউসুফ
২০২৪ সালে টাঙ্গাইল শাড়ি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের মর্যাদা পাওয়ার পর এবার পেল ইউনেসকোর এই স্বীকৃতি।
মডেল: সায়রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
২০০৩ সালে ইউনেসকোর তত্ত্বাবধানে ‘কনভেনশন ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ যাত্রা শুরু করে।
মডেল: সায়রা ও নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো সেই সব জ্ঞান, দক্ষতা, প্রথা, আচরণ ও শিল্প-অনুশীলন, যা কোনো সমাজ বা সম্প্রদায় পরম্পরাগতভাবে টিকিয়ে রাখে।
ছবি: সুমন ইউসুফ
ইউনেসকোর এই তালিকার বিশেষত্ব হলো, এটি কোনো দেশের বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি ও মর্যাদা দেয়।
মডেল: নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
নতুন স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে টাঙ্গাইল শাড়ির অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে; বাজার চাহিদা বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়বে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্যগত বয়নশিল্প শেখার আগ্রহ তৈরি হতে পারে।
মডেল: নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
টাঙ্গাইল–দেলদুয়ার সড়কের দুই পাশে দুটি গ্রাম—পাথরাইল ও চণ্ডী। এই দুই গ্রামকেই বলা যায় টাঙ্গাইল শাড়ির বাণিজ্যিক রাজধানী।
মডেল: নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
স্থানীয় তাঁতিরা মনে করেন, মূলত টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের উদ্যোক্তা মুনিরা এমদাদের হাত ধরেই গত শতকের আশির দশকে ঢাকায়ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে টাঙ্গাইল শাড়ি। পাথরাইল ও চণ্ডী গ্রামে রমরমা হয়ে ওঠে ব্যবসা–বাণিজ্য।
মডেল: সায়রা ও নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ
টাঙ্গাইল শাড়ির বৈশিষ্ট্য কী? যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী রঘুনাথ বসাক বলেন, ‘পদ্ধতির কারণে উৎপাদন ধীর। হাত বা হস্তচালিত তাঁতে তৈরি না হলে সেটা টাঙ্গাইল শাড়ি হবে না। যখন দ্রুত শাড়ি উৎপাদন হবে, তখন আর সেটা টাঙ্গাইল শাড়ি নয়।’
মডেল: সায়রা ও নিদ্রা। ছবি: সুমন ইউসুফ









