👋 বুনন ফেব্রিক্স-এ আপনাকে স্বাগতম! 🛍️ "বুনন ফেব্রিক্স" বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন শপ। 💰 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় (২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিত ডেলিভারি)। 🏠 সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি করা হয়ে থাকে। ✨ ধন্যবাদ ২ লক্ষ+ সন্তুষ্ট কাস্টমার, আপনার ভরসার ব্র্যান্ড। 💎 পছন্দ আপনার, পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের!

Phone

09611900606


যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ‘চরমে’

সবশেষ ৩৪ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে গত নভেম্বরে। মূলধনী পণ্যের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতিবিদরা চতুর্থ প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে আনতে পারেন। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস ও সেন্সাস ব্যুরো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বাণিজ্য ঘাটতি ৯৪ দশমিক ছয় শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক আট বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। শতাংশের হিসাবে ১৯৯২ সালের মার্চের পর এটি সর্বোচ্চ। রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদরা ধারণা করেছিলেন, বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৪০ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

৪৩ দিনের মার্কিন সরকারি শাটডাউনের কারণে প্রতিবেদনটি প্রকাশে দেরি হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, আমদানি পাঁচ শতাংশ বেড়ে ৩৪৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পণ্য আমদানি ছয় দশমিক ছয় শতাংশ বেড়ে ২৭২ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে মূলধনী পণ্যের আমদানি সাত দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। কম্পিউটার ও সেমিকন্ডাক্টর আমদানির বৃদ্ধির কারণে এমনটি হয়েছে। তবে, কম্পিউটার আনুষঙ্গিক পণ্যের আমদানি তিন বিলিয়ন ডলার কমেছে।

অন্যান্য পণ্যের আমদানিও রেকর্ড পর্যায়ে ছিল। ভোক্তা পণ্যের আমদানি ৯ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ভোক্তা পণ্যের আমদানি বাড়ার পেছনে ওষুধজাত পণ্য মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। তবে, শিল্প সরবরাহ সামগ্রীর আমদানি দুই দশমিক চার বিলিয়ন ডলার কমেছে।

গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি তিন দশমিক ছয় শতাংশ কমে ২৯২ দশমিক এক বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। পণ্য রফতানি কমেছে ১৬৫ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার বা পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ। শিল্প সরবরাহ ও উপকরণের রফতানি ছয় দশমিক এক বিলিয়ন ডলার কমেছে। এর মধ্যে মূল্যবান ধাতু ও অপরিশোধিত তেলের রফতানি হ্রাস অন্তর্ভুক্ত। শুধুমাত্র অপরিশোধিত তেলের রফতানি কমেছে এক দশমিক চার বিলিয়ন ডলারের।

ভোক্তা পণ্যের রফতানি তিন দশমিক এক বিলিয়ন ডলার কমেছে।

ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস ও সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য মতে, পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ৪৭ দশমিক তিন শতাংশ বেড়ে ৮৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে সেবা খাতের আমদানি কমেছে। তবে ওই খাতে রফতানি রেকর্ড পরিমাণ হয়েছে। নভেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতি চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপিতে বড় অবদান থাকবে, এই প্রত্যাশা অর্থনীতিবিদদের কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে।

২০২৫ সালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বাণিজ্য ইতিবাচক অবদান রেখেছিল।

সবশেষ ৩৪ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে গত নভেম্বরে। মূলধনী পণ্যের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতিবিদরা চতুর্থ প্রান্তিকের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে আনতে পারেন। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস ও সেন্সাস ব্যুরো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বাণিজ্য ঘাটতি ৯৪ দশমিক ছয় শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক আট বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। শতাংশের হিসাবে ১৯৯২ সালের মার্চের পর এটি সর্বোচ্চ। রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদরা ধারণা করেছিলেন, বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৪০ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

৪৩ দিনের মার্কিন সরকারি শাটডাউনের কারণে প্রতিবেদনটি প্রকাশে দেরি হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য মতে, আমদানি পাঁচ শতাংশ বেড়ে ৩৪৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পণ্য আমদানি ছয় দশমিক ছয় শতাংশ বেড়ে ২৭২ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে মূলধনী পণ্যের আমদানি সাত দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। কম্পিউটার ও সেমিকন্ডাক্টর আমদানির বৃদ্ধির কারণে এমনটি হয়েছে। তবে, কম্পিউটার আনুষঙ্গিক পণ্যের আমদানি তিন বিলিয়ন ডলার কমেছে।

অন্যান্য পণ্যের আমদানিও রেকর্ড পর্যায়ে ছিল। ভোক্তা পণ্যের আমদানি ৯ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ভোক্তা পণ্যের আমদানি বাড়ার পেছনে ওষুধজাত পণ্য মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। তবে, শিল্প সরবরাহ সামগ্রীর আমদানি দুই দশমিক চার বিলিয়ন ডলার কমেছে।

গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি তিন দশমিক ছয় শতাংশ কমে ২৯২ দশমিক এক বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। পণ্য রফতানি কমেছে ১৬৫ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার বা পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ। শিল্প সরবরাহ ও উপকরণের রফতানি ছয় দশমিক এক বিলিয়ন ডলার কমেছে। এর মধ্যে মূল্যবান ধাতু ও অপরিশোধিত তেলের রফতানি হ্রাস অন্তর্ভুক্ত। শুধুমাত্র অপরিশোধিত তেলের রফতানি কমেছে এক দশমিক চার বিলিয়ন ডলারের।

ভোক্তা পণ্যের রফতানি তিন দশমিক এক বিলিয়ন ডলার কমেছে।

ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস ও সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য মতে, পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ৪৭ দশমিক তিন শতাংশ বেড়ে ৮৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে সেবা খাতের আমদানি কমেছে। তবে ওই খাতে রফতানি রেকর্ড পরিমাণ হয়েছে। নভেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতি চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপিতে বড় অবদান থাকবে, এই প্রত্যাশা অর্থনীতিবিদদের কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে।

২০২৫ সালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বাণিজ্য ইতিবাচক অবদান রেখেছিল।


Disclaimer: This article is auto-generated from news feeds. We do not claim ownership.
তথ্যসূত্র: অনলাইন ডেস্ক ও সংবাদ মাধ্যম।
Picture of বুনন ফেব্রিক্স

বুনন ফেব্রিক্স

Bunon Fabrics – বাংলাদেশের প্রিমিয়াম শাড়ির বিশ্বস্ত অনলাইন ব্র্যান্ড।

৫০,০০০+ সদস্য

ব্রেকিং নিউজ সরাসরি টেলিগ্রামে!

নির্ভরযোগ্য খবর বিজ্ঞাপন ছাড়াই দ্রুত পেতে জয়েন করুন।

জয়েন করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

All Product
Home
Phone